বিনিয়োগকারীরা ফিরে পেল হারানো ৩ হাজার কোটি টাকা

spot_img

 

- Advertisement -

তিন সপ্তাহ পর অবশেষে দেশের পুঁজিবাজারে সূচক ও লেনদেন বেড়েছে। তাতে বিনিয়োগকারীরাও তাদের হারানো ৩ হাজার কোটি টাকার পুঁজি ফিরে পেয়েছেন। এর মধ্যে প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বিনিয়োগকারীদের পুঁজি বেড়েছে ২ হাজার ১৮০ কোটি ১৮ লাখ ২ হাজার ৫৮৩ টাকা। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) বিনিয়োগকারীদের মূলধন বেড়েছে ৯৩০ কোটি ১৬ লাখ ৮ হাজার টাকা। তবে এর আগের সপ্তাহে পুঁজি কমেছিল আট হাজার কোটি টাকা।

(২১-২৫ জুলাই) আলোচিত তিনদিন উত্থান আর দুদিন বড় দরপতনের মধ্যদিয়ে গত সপ্তাহে দেশের পুঁজিবাজারে লেনদেন হয়। এই সময় ডিএসই’র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের চেয়ে ২ পয়েন্ট বেড়ে পাঁচ হাজার ১৩৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএস-৩০ সূচক দশমিক ৩৬ পয়েন্ট বেড়ে এক হাজার ৮৩৬ পয়েন্ট এবং ডিএসইএস সূচক ২ পয়েন্ট কমে এক হাজার ১৭৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৫৩ কোম্পানির শেয়ারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, কমেছে ১৮৫টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। এর আগের সপ্তাহে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৬টির, কমেছে ২৭৩টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫ কোম্পানির শেয়ারের দাম।

সূচক ও আগের সপ্তাহের চেয়ে অনেক কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ায় বিনিয়োগকারীরাও লেনদেনে ফিরছে। ফলে বিদায়ী সপ্তাহের চেয়ে লেনদেন ৩৬১ কোটি টাকা বেড়েছে। যা শতাংশের হিসেবে দাঁড়িয়েছে ২২ দশমিক ১০ শতাংশ। গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৯৯৮ কোটি ৪২ লাখ ২৪ হাজার ৫৩১ টাকা। এর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ৬৩৬ কোটি ৭৭ লাখ ২৮ হাজার ৭৯৬ টাকা।

সিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৭টির, কমেছে ১৬৭টির, আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৩ কোম্পানির শেয়ারের দাম। তাতে সিএসইর প্রধান সূচক ১১ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ৭১৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর তাতে গত সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে ৯৬ কোটি ১৮ লাখ ২৬ হাজার ৫৩১টাকা। এর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৮৯ কোটি ৪৭ লাখ ১৫ হাজার ৯৫২ টাকা।

সর্বশেষ