নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম মহানগরের আগ্রাবাদ এলাকায় মিছিল শেষে পালানোর চেষ্টাকালে অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগসহ নিষিদ্ধ যুবলীগ, ছাত্রলীগের ১৩ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ডবলমুরিং থানা পুলিশ। এ সময় মিছিলে ব্যবহৃত দুটি যাত্রীবাহী বাস, ১০টি লাঠি, ১৩টি ইটের টুকরা ও চারটি সাদা কাপড়ের টুকরা উদ্ধার করা হয়।
শনিবার (৬ জুন) বিকালে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার (৫ জুন) সকাল আনুমানিক ১০টা ২৫ মিনিটে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের কিছু নেতা-কর্মী বন্দর থানার বারেক বিল্ডিং এলাকায় ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল ভবনের দক্ষিণ পাশে জড়ো হন। পরে তারা মাথায় সাদা কাপড় বেঁধে দুটি যাত্রীবাহী বাসযোগে এসে মিছিল শুরু করেন।
খবর পেয়ে ডবলমুরিং থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন অলিগলি দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। তবে ঘটনাস্থল থেকে মিছিলে ব্যবহৃত দুটি যাত্রীবাহী বাস, চারটি সাদা কাপড়ের টুকরা, ১০টি লাঠি এবং ১৩টি ইটের টুকরা উদ্ধার করা হয়।
পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহানগরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে মিছিলে অংশগ্রহণকারী এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন— হালিশহর থানা যুবলীগ সভাপতি মো. ওমর ফারুক (৪৪), পতেঙ্গা কাটগড় নাজিরপাড়া খান বাড়ির সাকিবুল ইসলাম (২২), ডবলমুরিং থানা ছাত্রলীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহমদ রেজা (৩২), আনোয়ারা উপজেলার কড়ইতোড়া ইউপি মামুর খাইন হিন্দুপাড়া দাশ বাড়ির যীশু দাশ (৪৫), ডবলমুরিং থানার মো. সাইফুল আলম রুবেল (৪১), বন্দর থানার মো. শরিফুল ইসলাম (২৩), মো. ইব্রাহিম খলিল (৩৩), মোহাম্মদ মিন্টু (৪৫) ও জোবায়ের আহমেদ নিরব (২৫), আকবর শাহ থানা এলাকার মো. মনিরুল ইসলাম (৪৩) ও মো. হান্নান (৪৩), ডবলমুরিং থানার মো. জুনাইদুল আলম তাসনুপ (২৩), কর্ণফুলী থানা যুবলীগ ও ইউপি মেম্বার পদপ্রার্থী মো. ইরফান (৩২)।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়ে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন সিএমপির জনসংযোগ কর্মকর্তা ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (সদর) আমিনুর রশিদ।




