আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধ শিগগির শেষ হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে যুদ্ধের সপ্তম মাসেও এর অবসানের কোনো তাৎক্ষণিক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
বুধবার সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আশা করছি, আমরা যুদ্ধের শেষের দিকে পৌঁছেছি।’
ইরানকে নিয়ে তিনি বলেন, দেশটি একটি চুক্তি করতে চায়। তবে সেই আলোচনা কীভাবে এগোবে, তা দেখা যাক।
ইরানের কাছ থেকে সরাসরি যোগাযোগ পেয়েছেন বলেও দাবি করেন ট্রাম্প। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন ট্রাম্প। বৈঠকে যুদ্ধের পর ইরানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
বৈঠকে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও ওমানের নেতা অথবা পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নিতে পারেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও হোয়াইট হাউস কোনো মন্তব্য করেনি।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর যুদ্ধ শুরু হয়। জবাবে ইরান ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা চালায়। এসব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।
যুদ্ধের লক্ষ্য নিয়ে ট্রাম্প বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। তবে তিনি ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা দুর্বল করাকে অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র নেই। দেশটি বলে আসছে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ কাজে ব্যবহারের জন্য। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানে এবং ইসরায়েলের লেবানন হামলায় হাজারো মানুষ নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন লাখো মানুষ।
যুদ্ধের কারণে তেল ও গ্যাসের দাম বেড়েছে। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে বিষয়টি ট্রাম্পের রিপাবলিকান দলের জন্য বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।
সূত্র: রয়টার্স




