spot_imgspot_img
spot_imgspot_img

টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন চট্টগ্রাম, চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক
spot_img

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামে নগরীর ভারী বর্ষণে বিভিন্ন নিচু এলাকায় তৈরি হওয়া জলাবদ্ধতায় কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও কোমর সমান পানি জমে স্থবির হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ, পথচারী ও পথচলতি শিক্ষার্থীরা।

- Advertisement -

সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে পাঁচলাইশ থানাধীন কাতালগঞ্জ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সেখানে ভারী বৃষ্টিতে বিভিন্ন আবাসিক এলাকাগুলোর সড়কে কোথাও কোমর, আবার কোথাও হাঁটুসমান পানি জমে।

কেউ বাড়তি ভাড়া গুণে রিকশা বা সিএনজি চেপে, আবার কেউ বা ময়লা পানি মাড়িয়ে জলাবদ্ধ স্থান পার হয়েছেন। বেলা বাড়ার সাথে ওই এলাকার পানি অনেকটাই নেমে এসেছে। তবে ভারী কাঁদায় ভরে গেছে পিচঢালা সড়ক যা ওই এলাকার বাসিন্দাদের ভোগান্তি আরও বাড়িয়েছে।

এই চিত্র শুধু কাতালগঞ্জ নয়, নগরীর জামালখান, আগ্রাবাদ কমার্স কলেজ এলাকা, মুরাদপুর, জিইসিসহ নগরের বিভিন্ন স্থানের নিচু এলাকাগুলোতে কোথাও কোথাও হাঁটু থেকে কোমড় সমান পানি জমেছে। এ কারণে সড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। ভোগান্তি পোহান পথচারীসহ স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা।

নগরীর কাতালগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা মো. আলতাফ হোসেন বলেন, কাতালগঞ্জ বাসা থেকে চকবাজার মোড় পর্যন্ত রিকশা ভাড়া ৩০ টাকা, আজ দিয়েছি ৭০ টাকা। বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে বাড়তি ভাড়া গুণতে হলো। তাছাড়া ময়লা পানির কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির পাশাপাশি স্বাস্থ্যঝুঁকিও রয়েছে। আমরা জানি না এই জলাবদ্ধতা থেকে নগরবাসী কবে মুক্তি পাবে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা ইসমাইল মিয়া জানিয়েছেন, সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

spot_imgspot_img
spot_imgspot_img

সর্বশেষ