নিজস্ব প্রতিবেদক :চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) পাঁচটি ছাত্রী হলে দীর্ঘদিনের একটি প্রয়োজন পূরণ হয়েছে। নারী শিক্ষার্থীদের খাবার সংরক্ষণসহ দৈনন্দিন নানা কাজে ব্যবহারের জন্য পাঁচটি হলে পাঁচটি ডিপ ফ্রিজ দেওয়া হয়েছে। ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের সহযোগিতায় এসব ফ্রিজ সরবরাহ করা হয়।
চাকসুর এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিকের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ফ্রিজগুলো পাঁচটি আবাসিক হলে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
ডিপ ফ্রিজ পাওয়া হলগুলো হলো—দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হল, বিজয় চব্বিশ হল, প্রীতিলতা হল, নওয়াব ফয়জুননেছা হল ও শামসুন্নাহার হল।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ছাত্রী হলগুলোতে দীর্ঘদিন ধরেই খাবার সংরক্ষণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় আবাসিক শিক্ষার্থীদের নানা ধরনের সমস্যায় পড়তে হতো। বিশেষ করে রান্না করা খাবার, ফলমূলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণ করতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়তেন তারা। শিক্ষার্থীদের এই সমস্যার কথা চাকসুর এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের কাছে তুলে ধরেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রীর সহযোগিতায় পাঁচটি নারী হলে পাঁচটি ডিপ ফ্রিজ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। ইতোমধ্যে হলগুলোতে ফ্রিজ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
এসব ডিপ ফ্রিজ ব্যবহারের ফলে আবাসিক নারী শিক্ষার্থীদের খাবার সংরক্ষণের সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি হলের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায়ও কিছুটা স্বস্তি ফিরবে বলে মনে করছেন শিক্ষার্থীরা।
চাকসুর এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক বলেন, ছাত্রী হলগুলোতে খাবার সংরক্ষণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নারী শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি ছিল। বিষয়টি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনকে অবহিত করার পর তিনি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি দ্রুত সাড়া দিয়ে পাঁচটি ছাত্রী হলে ডিপ ফ্রিজ দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে প্রতিমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এসব ফ্রিজ শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
চাকসুর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের আবাসিক জীবনের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সেগুলো সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।




