প্রিয়সংবাদ ডেস্ক :: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, আজকে বাংলাদেশে একটি স্বৈরাচার সরকার শাসন করছে। এমন স্বৈরাচার সরকার আশেপাশের কোন দেশেই নেই। এই সরকার জোর করে ক্ষমতায় বসে আছে। তারা ক্ষমতায় আসার পর দেশের সকল প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছে। এই সরকারকে হটাতে হলে আমাদের রাস্তায় নামতে হবে। এর জন্য আমাদের হাতে আর সময় নেই। এই বছর যদি আমরা রাজপথ প্রকম্পিত করতে না পারি তাহলে আমাদের পরিত্রাণ পাওয়ার কোন উপায় নেই।
সোমবার রাজধানীর আসাদগেটে একটি মিলনায়তনে দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, আপনারা দেখেছেন সম্প্রতি আমেরিকার মানবাধিকার সংস্থা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সে রিপোর্ট দেখা গেছে, কিভাবে বাংলাদেশের মানবাধিকার ক্ষুন্ন করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের বিচার বিভাগ যে স্বাধীন নয় ওই রিপোর্টে পরিস্কারভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপরসন বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে এই বিষয়টিও মার্কিন মানবাধিকার সংস্থার বার্ষিক প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। সুতরাং আর বলতে বাধা নেই বেগম জিয়াকে অন্যায়ভাবে বিচারের নামে প্রহসন করে জেলে দেয়া হয়েছে। তাই বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আমাদের আদায় করতে হবে। কারণ এই সরকার তাকে এমনিতে মুক্তি দিবে না।
তিনি বলেন, আমাদের আগামীর আন্দোলন সংগ্রামের মধ্যে অনেক ষড়যন্ত্র হবে। কিন্তু বিএনপি তার লক্ষ্য স্থির করে ফেলেছে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্টভাবে বলেছেন, বাংলাদেশে অবশ্যই জাতীয় সরকার হবে কিন্তু সেটা হবে জাতীয় নির্বাচনের পর। তার আগে আমাদের আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারকে হটিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন আদায় করতে হবে।
বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ শাখা ছাত্রদল আয়োজিত ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ডা. এএসএম রাকিবুল ইসলাম আকাশ। সাধারণ সম্পাদক ডা. লাবিদ রহমানের পরিচালনায় ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন- বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ড্যাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ, মহাসচিব ডা. মোঃ আবদুস সালাম, কোষাধ্যক্ষ ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল, ঢাকা মহানগর উত্তর ড্যাবের সভাপতি ডা. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম, ড্যাবের যুগ্ম মহাসচিব ডা. সায়ীদ মেহবুব উল কাদির, ডা. সাজিদ ইমতিয়াজ উদ্দিন, এ্যামট্যাবের মহাসচিব বিপ্লবুজ্জামান বিপ্লব, ছাত্রদলের সভাপতি কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ, সাধারণ সম্পাদক সাইফ জুয়েল, ছাত্রদলের সাবেক নেতা মামুন খান, ডা. গালিব হাসান, বুয়েট ছাত্রদলের আসিফ হোসেন রচি, বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ ছাত্রদলের রনি মার্জুক, মোহাম্মুদুল হক জনি, তানজিম রুবাইয়্যাত আফিফ, লিংকন সহ শতাধিক নেতাকর্মী।