৩ বছর পর আবার টি-টোয়েন্টি দলে ডাক পেয়েছেন সাব্বির রহমান রুম্মন। এশিয়া কাপ খেলতে যাওয়ার আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের বিপক্ষে নিজেকে ঝালিয়ে নেয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন রাজশাহীর এ ফ্রি-স্ট্রোক মেকার।
কিন্তু মঙ্গলবার বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের বিপক্ষে তা করতে পারলেন না সাব্বির। ফিরে গেলেন মাত্র ৩ রানে।
সেন্ট লুসিয়ার ড্যারেন স্যামি স্টেডিয়ামে হওয়া এই একদিনের খেলায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্রুত গতির বোলার গ্রেভ জাস্টিনের বলে মাত্র ৩ রানে আউট হয়েছেন সাব্বির রহমান।
গ্রেভ জাস্টিনের গুডলেন্থ থেকে খানিক আউটসুইংয়ের পাশাপাশি একটু লাফিয়ে ওঠা ডেলিভারিতেই ধরা খেয়েছেন সাব্বির। অফ স্ট্যাম্পের সামান্য বাইরে পড়ে আরও বেরিয়ে যাওয়া ডেলিভারি থেকে নিজের ব্যাট সরাতে না পেরে পেতে দেন সাব্বির। বল ব্যাটের ওপরের দিকের বাইরের অংশে লেগে চলে যায় উইকেটকিপারের গ্লাভসে।
সাব্বিরের পাশাপাশি রান করতে পারেননি সৌম্য সরকারও। এ বাঁ-হাতি আউট হয়েছেন ১৫ রানে। আরেক ফাস্টবোলার এন্ডারসন ফিলিপসের বলে খাটো লেন্থের বলকে পুল করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেননি সৌম্য। বল আকাশে উঠে যায়।
ওয়েষ্ট ইন্ডিজের সাবেক অধিনায়ক শিবনারায়ন চন্দরপলের পুত্র তেজনারায়ন চন্দরপল অনেকটা পথ পিছনে দৌড়ে অসামান্য দক্ষতায় সে ক্যাচটি লুফে সৌম্যকে সাজঘরে ফেরত পাঠান। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ধুঁকতে শুরু করে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। শুরু থেকে নিয়মিত বিরতিতে একের পর এক উইকেটের পতন ঘটতে শুরু করে।
একের পর এক উইকেট পড়ার কারণে এক সময় বাংলাদেশ দলের স্কোর ৫০ রানে পৌঁছাতেই ৮ উইকেট হারিয়ে বসে মোহাম্মদ মিঠুনরা। এদের মধ্যে সৌম্য সর্বাধীক ১৫ রান করেন। অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন করেছেন ১২। ৮ উইকেট পড়ার পর জাকের আলি অনিকের দৃঢ়তায় বাংলাদেশ ‘এ’ দলের স্কোর দাঁড়ায় ৮০ রানে। ২৩.২ ওভারে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ ‘এ’ দল।
ওপেনার নাইম শেখ ৫ বলে ০, সৌম্য সরকার ২০ বলে ১৫ (তিনটি বাউন্ডারি), সাইফ হাসান ৫ বলে ৬ (একটি বাউন্ডারি), মোহাম্মদ মিঠুন ২০ বলে ১২, মাহমুদুল হাসান জয় ১৫ বলে ৪, সাব্বির রহমান ৬ বলে ৩, আর মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী ১ বলে ০, নাইম হাসান ৪৫ বলে ০ রানে আউট হন।
শুরু থেকে চরম বিপাকে পড়া বাংলাদেশ ‘এ’ শেষ পর্যন্ত অলআউট হয়েছে ৮০ রানে (২৩.২ ওভারে)। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডানহাতি ফাস্ট বোলার গ্রেভ জাস্টিন একাই মিঠুন, সৌম্য ও সাব্বিরদের নাভিশ্বাস তুলে ছাড়েন। তার ঝুলিতে জমা পড়েছে ৪ উইকেট।