মেহেরপুরঃ মেহেরপুরের গাংনীর করমদি গ্রামে রঙ্গিলা খাতুন (৩৫) নামের এক নারীকে ধারালো হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে তার জামাতা বাদশা মিয়া। বাদশার নির্যাতন থেকে মেয়ে রিমি খাতুনকে বাঁচাতে গেলে এই নির্মম হত্যার শিকার হন তিনি।
মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে রঙ্গিলার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। রঙ্গিলা খাতুন করমদি গ্রামের কৃষক শওকত আলীর স্ত্রী। আহত অবস্থায় রিমিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, করমদী গ্রামের শিকদার পাড়ার রবিউল ইসলামের ছেলে বাদশা খান একই গ্রামের মাঠপাড়ায় শ্বশুরবাড়িতে স্বপরিবারে বসবাস করে আসছিলেন। ঘটনার সময় অন্তঃস্বত্বা স্ত্রী রিমি খাতুনকে মারধর করছিল বাদশা।
বেধড়ক মারপিটের একপর্যায়ে হাসুয়া দিয়ে কোপ দিতে গেলে রিমির মা রঙ্গিলা খাতুন তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যায়। এ সময় শাশুড়ির উপরে আক্রমণ করে বাদশা। উপর্যপুরী কোপানোর ফলে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করে রঙ্গিলা খাতুন।
স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে এগিয়ে আসলে বাদশা পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় রিমিকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনাস্থল থেকে গাংনী থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি ঘাতক বাদশাকে আটকের চেষ্টা চলছে।