নির্বাচন কমিশনকে আগে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ কংগেসের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট কাজী রেজাউল হোসেন।
দলের ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর স্মরণিকা (স্বপ্নসিঁড়ি) প্রকাশ উপলক্ষে শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট বার ভবনের হলরুমে ‘বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা: সংকট ও সমাধান’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
সভাপতির বক্তব্যে কাজী রেজাউল হোসেন বলেন, স্বাধীন ও স্থায়ী নির্বাচন ব্যবস্থা ছাড়া গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরে দেশ অনেক দিক থেকে এগিয়ে গেছে, কিন্তু এতদিনে একটি গ্রহণযোগ্য নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। নানান অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলার কারণে দেশের প্রতিটি জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে দেখা দিচ্ছে। দেশে একটি স্বাধীন ও স্থায়ী নির্বাচন ব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য ‘নির্বাচন কমিশন আইন’-এর খসড়া প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ কংগ্রেস। এই আইন বাস্তবায়িত হলে দেশে একটি স্থায়ী ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ব্যবস্থা গড়ে উঠবে বলে মনে করেন তিনি।
বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব ইয়ারুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএম’র চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএল’র মহাসচিব শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট’র সংগঠন প্রধান আবু লায়েস মুন্না, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপা’র সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, এবি পার্টি’র সদস্য সচিব মুজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ গণঅধিকার পরিষদ’র সদস্য সচিব নুরুল হক নুর ও বাংলাদেশ জাতীয় লীগের সভাপতি শাহরিয়ার ইফতেখার ফুয়াদ।
বক্তারা বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে জনগণের মধ্যে সন্দেহ ও অবিশ্বাস সৃষ্টি হয় এমন কোন সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়া উচিত হবে না নির্বাচন কমিশনের। তারা যে নিরপেক্ষ ও প্রভাবমুক্ত হয়ে নির্বাচন পরিচালনা করবেন সেটা তাদের কথা ও কর্মের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তারা।