চট্টগ্রামে দশ বছর পর মহানগর ছাত্রলীগের নতুন কমিটি গঠনের উদ্যোগ

মো.মুক্তার হোসেন বাবু : চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের নতুন কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। দীর্ঘ ১০ বছর পর ছাত্রলীগের নতুন কমিটি গঠনে তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মাঝে উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। নতুন কমিটিতে একেবারে ক্লিন ইমেজ মেধাবী ছাত্র এবং দুঃসময়ে সংগঠনের কাজে মাঠে ছিলেন এমন কর্মীদের মূল্যায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। ইতিমধ্যে শীর্ষ পদপ্রত্যাশীদের বায়োডাটা আহŸান করতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এদিকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের অনেকেই যোগাযোগ বাড়িয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের সাথে। অনেকেই চট্টগ্রামের মন্ত্রি-এমপি এবং মহানগর আওয়ামী লীগ শীর্ষ নেতাদের সাথে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করছেন। মহানগর ছাত্রলীগের নতুন কমিটিতে শীর্ষ পদ পাওয়ার জন্য আলোচনায় রয়েছেন- একাধিক ছাত্রলীগ নেতা। এর আগে নগর ছাত্রলীগের সর্বশেষ কেন্দ্র থেকে কমিটি ঘোষণা করা হয় ২০১৩ সালে।

- Advertisement -

নগর ছাত্রলীগের নতুন কমিটির জন্য বিশেষ করে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ শীর্ষ পদ প্রত্যাশীরা সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের বিভিন্ন গ্রæপ উপ-গ্রæপের মাধ্যমে তদবির করছেন।

মহানগর ছাত্রলীগের শীর্ষ পদে সম্ভাব্য প্রার্থী যারা চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুল করিম, হালিশহর থানা ছাত্রলীগের আহŸায়ক আবদুর রহিম জিসান, সিটি কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহŸায়ক আকবর খান, পতেঙ্গা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি হাসান হাবীব সেতু, ডবলমুরিং থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাকিব হায়দার, চান্দগাঁও থানা ছাত্রলীগের সভাপতি নুর নবী সাহেদ, মহানগর ছাত্রলীগের সদস্য আরাফাত রুবেল, মোশাররফ চৌধুরী পাভেল, ইসলামিয়া কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি কাজী মো. আসিফ আলভী, কমার্স ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল আলম আলভী, সিটি কলেজ নৈশ শাখার ছাত্রলীগের আহবায়ক আশীষ সরকার নয়ন, ভিপি মো. তাসিন, মহানগর ছাত্রলীগের উপসম্পাদক ফাহাদ আনিছ, মহানগর ছাত্রলীগের উপধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রাশেদ চৌধুরী, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ইয়াছিন আরাফাত বাপ্পি, মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক অরবিন সাকিব ইভান, মহানগর বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আরফাত হোসাইন অনিক, মহানগর ছাত্রলীগ নেতা অনিন্দ্য দেব, শামীমুর রহমান, খালেদ হোসেন অন্তর প্রমুখ।

জানা গেছে, কেন্দ্র থেকে ২০১৩ সালের ২৯ অক্টোবর ইমরান আহমেদ ইমুকে সভাপতি ও নুরুল আজিম রনিকে সাধারণ সম্পাদক করে ২৪ জনের আংশিক কমিটি দেওয়া হয়। এরপর ২০১৪ সালের ১১ জুলাই ওই ২৪ জনসহ ২৯১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ নগর ছাত্রলীগের কমিটির অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। বিভিন্ন ঘটনায় আলোচিত-সমালোচিত হওয়ার পর ২০১৮ সালের ১৯ এপ্রিল ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন নুরুল আজিম রনি। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীর। পরবর্তীতে তাকেও ভারমুক্তও করা হয়। এক বছর মেয়াদের ওই কমিটি ইতোমধ্যে দশ বছর পার করেছে।

সর্বশেষ