spot_imgspot_img

৬৩ বিদেশির রিমান্ড মঞ্জুর, কোকেনকাণ্ডে মিলল নতুন সূত্র

মো. মোক্তার হোসেন বাবু:
spot_img

মো. মোক্তার হোসেন বাবু: চট্টগ্রামের পশ্চিম খুলশী-জালালাবাদ এলাকায় অনলাইন স্ক্যামিংয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৬৩ বিদেশি নাগরিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। একই মামলায় কোকেনসহ গ্রেপ্তার এক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার তথ্য সামনে আসায় তদন্তে নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে।

- Advertisement -

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মুহিদুল ইসলাম ৬৩ বিদেশির প্রত্যেকের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে মামলার তদন্তকারী সংস্থা কাউন্টার টেররিজম ইউনিটকে (সিটিইউ) ২০ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) মোহাম্মদ হাসান ইকবাল চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ৬৩ বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে করা মামলায় পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর পুলিশ পাহারায় ৬৩ বিদেশিকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল। পরে ১৩ সেপ্টেম্বর তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। মঙ্গলবার সেই আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

তদন্তে কোকেনের একটি চালান ঘিরে ওই বিদেশিদের সঙ্গে যোগসূত্রের বিষয়টিও সামনে এসেছে। গত ৫ সেপ্টেম্বর নগরের একটি কুরিয়ার সার্ভিস থেকে ১১৮ গ্রাম কোকেন উদ্ধারের ঘটনায় মোহাম্মদ মহসিন নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এবার ৬৩ বিদেশির মামলায় তাকে ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখানোর আবেদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার রিমান্ডও চেয়েছে পুলিশ।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুর রহিম জানান, ৬৩ বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে মহসিনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের থাকার জন্য তিনি একটি আটতলা ভবন ভাড়া করে দিয়েছিলেন।

পুলিশের তথ্যমতে, কয়েক দিন আগে মহসিন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ১১৮ গ্রাম কোকেন ঢাকার এক ব্যক্তির কাছে পাঠান। পরে সেই চালানটি ফেরত আসে। কোকেন উদ্ধারের ওই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ ৬৩ বিদেশি নাগরিকের অবস্থান ও তাদের সঙ্গে মহসিনের যোগাযোগের বিষয়টি জানতে পারে।

এখন ৬৩ বিদেশির রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ এবং কোকেনকাণ্ডে গ্রেপ্তার মহসিনকে একই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তাদের পারস্পরিক যোগাযোগ, অনলাইন স্ক্যামিংয়ের কার্যক্রম এবং মাদক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে আরও তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে বলে মনে করছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

spot_imgspot_img
spot_imgspot_img

সর্বশেষ