spot_imgspot_img
spot_imgspot_img

চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে যুক্ত হলো ৪ আধুনিক গ্যান্ট্রি ক্রেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
spot_img

নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে (পিসিটি) যুক্ত হলো চারটি কিউ গ্যান্ট্রি ক্রেন (কিউজিসি)। শুক্রবার সন্ধ্যায় এ চারটি কিউজিসি নিয়ে বন্দরে এসে পৌঁছায় বিশেষায়িত জাহাজ ‘এমভি ল্যান হাই হং ইউন’।

- Advertisement -

চীনের ‘স্যানি মেরিন হেভি ইন্ডাস্ট্রি’র তৈরি এই চারটি ক্রেনের মূল্য ৩০ মিলিয়ন ডলার। আগামী মাস থেকে ক্রেনগুলো ব্যবহার করে জাহাজ থেকে জেটিতে কনটেইনার উঠা-নামা করানোর কাজ শুরু হবে।

টার্মিনালটি পরিচালনা করছে সৌদি আরবের রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল (আরএসজিটি)। তারা নিজস্ব অর্থায়নে এই চারটি কিউজিসি সংগ্রহ করল। এর আগে গত বছর ২৬ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে ১৪টি রাবার টায়ার গ্যান্ট্রি (আরটিজি) ক্রেন সংগ্রহ করেছিল আরএসজিটি।

নতুন আসা কিউজিসিগুলো বিদ্যুৎচালিত। এতে জ্বালানি সাশ্রয় ও পরিবেশ সুরক্ষা হবে বলে ধারণা টার্মিনাল পরিচালনাকারী সংস্থা আরএসজিটির। রেল ট্র্যাকে বসানো এই চারটি ক্রেন ব্যবহার করে টার্মিনালে একসঙ্গে দুটি জাহাজে কাজ করা সম্ভব।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব নাছির উদ্দিন বলেন, ‘জাহাজটি নিরাপদে জেটিতে ভেড়াতে আমাদের সব রকম প্রস্তুতি ছিল। হারবার মাস্টার জানিয়েছেন রাতে সফলভাবে চারটি কিউজিসি নিয়ে জাহাজটি বার্থিং (জেটিতে ভেড়ানো) হয়েছে। বন্দরের পক্ষ থেকে এই কাজে সকল মেরিন সার্ভিস নিশ্চিত করা হয়। এখন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কিউজিসিগুলো জেটিতে ইন্সটল ও কমিশনিং করবে। সেসব কাজ শেষ হলে কিউজিসি চারটি অপারেশন শুরু করবে। এতে পিসিটির সক্ষমতা অনেক বেড়ে যাবে।’

পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের (পিসিটি) বার্ষিক কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার টিইইউস (প্রতিটি ২০ ফুট দৈর্ঘে্যর কনটেইনার একক হিসেবে)।

২০২৫ সালে পিসিটিতে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৫৬৪ টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা হয়। ওই বছর জাহাজ এসেছিল ৭৮টি। এর মধ্যে রপ্তানি কনটেইনার ছিল ৯৩ হাজার ৩৪০ টিইইউস এবং আমদানি কনটেইনার ৬১ হাজার ২২৪ টিইইউস।

পিসিটিতে আমদানি কনটেইনার পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় স্ক্যানার না থাকায় কার্যক্রমে কিছুটা ধীর গতির ছিল। পরে গত বছরের মে মাসে আরএসজিটি নিজস্ব অর্থায়নে ৩ মিলিয়ন ডলার খরচ করে স্ক্যানার স্থাপন করলে কার্যক্রমে গতি আসে।

২২ বছরের চুক্তিতে ২০২৪ সালের এপ্রিলে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল আরএসজিটি এর কাছে হস্তান্তর করা হয়। ২০২৪ সালের জুন থেকে প্রতিষ্ঠানটি পিসিটি পরিচালনা শুরু করে।

spot_imgspot_img
spot_imgspot_img

সর্বশেষ