মো.মুক্তার হোসেন বাবু : চট্টগ্রাম শহরে ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ে অসাধুচক্র গুজব ছড়াচ্ছে। ডেঙ্গু জ¦রে মারা গেছে ১ জন প্রচার করা হচ্ছে দশ জন। ডেঙ্গু নিয়ে গুজবে কান না দেয়ার মন্তব্য করেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান। তিনি বলেন, অন্যান্য সিটি এলাকায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেশি, চট্টগ্রাম বিভাগে সে তুলনায় খুবই কম। তারপরও সরকার মেডিকেল ফ্রি চিকিৎসা, ডেঙ্গু সনাক্ত করণের উপায়সহ সব ধরণের ব্যবস্থা করেছে। বিভাগীয় কমিশনার আজ চট্টগ্রাম পিটিআই বিভাগীয় প্রশাসন আয়োজিত দেশব্যাপী মশক নিধন ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা উপলক্ষে জনসচেতনতামূলক পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
এসময় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) শংকর রঞ্জন সাহা, পরিচালক স্থানীয় সরকার চট্টগ্রাম বিভাগ দীপক চক্রবর্তী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. আবু হাসান সিদ্দিক, প্রাথমিক শিক্ষা চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক মো. সুলতান মিয়া, সহকারী পরিচালক রাশেদা বেগম, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাসরিন সুলতানা, পিটিআই সুপার কামরুন নাহার, বিভাগীয় শিক্ষা অফিসার তাপস কুমার পাল, মামুন কবির, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রিশি ক্যাশ শীল, জহির উদ্দিন চৌধুরী, সহকারী সুপার রওশন আক্তার জাহান উপস্থিত ছিলেন।
বিভাগীয় কমিশনার আরো বলেন, পিটিআই কলেজ এ আয়োজনের উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষকদের দায়-দায়িত্ব আছে। আপনারা ছাত্রদের সচেতনতাবোধ সৃষ্টি করবেন। শিক্ষকদের মাধ্যমে এ কর্তা সাধারণ জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছানো সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এদিকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ^বিদ্যালয়ে (সিভাসু) গতকাল বুধবার এক শোভাযাত্রা বের করে। দুপুর সাড়ে ১২টায় বের করা শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ। শোভাযাত্রায় বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন। শোভযাত্রার পর বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিভিন্ন স্থাপনা ও আঙ্গিনায় মশক নিধনের লক্ষ্যে মাসব্যাপি ওষুধ ছিটানো কর্মসূচি উদ্বোধন করেন উপাচার্য। এরপর এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ সবাইকে বাসাবাড়ি এবং বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রেখে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করে ডেঙ্গু প্রতিরোধের আহŸান জানান। তিনি বলেন, বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাসের আবাসিক হল, শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোয়ার্টার ও সংলগ্ন এলাকায় মাসব্যাপি ওষুধ ছিটানো কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম. নূরুল আবছার খান, ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আবদুল আহাদ, ফুড সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. জন্নাতারা খাতুন, পোল্ট্রি রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং সেন্টারের (পিআরটিসি) পরিচালক প্রফেসর ড. পরিতোষ কুমার বিশ^াস, রেজিস্ট্রার মীর্জা ফারুক ইমাম, পরিচালক (বহিরাঙ্গন কার্যক্রম) প্রফেসর ড. এ.কে.এম. সাইফুদ্দীন, পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, প্রক্টর প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, পরিচালক (ছাত্রকল্যাণ) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন প্রমুখ।