নিজস্ব প্রতিবেদক : পশ্চিম গাটিয়া ডেংগা ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার সুপারকে হেয় প্রতিপন্ন করার প্রতিবাদে আজ ১০ মে সকাল সাড়ে ১০ টায় এক মানববন্ধন মাদরাসার সামনে বীরমুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের প্রকাশ বঙ্গের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বীরমুক্তিযোদ্ধা আহমদ ছফা প্রকাশ ভেট্টা, সাতকানিয়া নলুয়া ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান নুরুল আলম নিরব, সমাজসেবক ও বিশিষ্ট দানবীর আলহাজ্ব আবদুল বাসেত, যুবলীগ নেতা মো. জাহেদ, যুবলীগ নেতা মাস্টার সাইফুল ইসলাম, ছাত্রলীগ নেতা মো. খোরশেদ, মো. তানভীর, অভিভাবক সদস্য আবদুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, বিগত ৩৮ বছরের বেশি সময় ধরে অনেক আলোকিত মানুষ তৈরি করেছে এই মাদরাসাটি। একটি কুচক্রী মহল নিজেদের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য ইসলামি এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে নানাভাবে হয়রানি করে চলেছে। দীর্ঘদিন ধরে ঐ কুচক্রীমহল প্রতিষ্ঠানের অর্জিত সুনাম নষ্ট করে ইসলামি শিক্ষা বন্ধ করার পাঁয়তারা করে আসছে। এমনকি তারা নিজেদের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকদের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টিসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে নামে বেনামে মিথ্যা ও ভুয়া অভিযোগ করে প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। আমরা প্রশাসনের নিকট কুচক্রী মহল সদস্যদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবী জানাচ্ছি।বক্তারা আরো বলেন, মাদ্রাসাটি শিক্ষা দীক্ষায় এলাকার নিন্ম আয়ের পরিবারের শিক্ষা বিমুখ সন্তানদের শিক্ষা লাভের অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টিতে মাদরাসার শিক্ষকরা শুরু থেকে উদার ও আন্তরিকতার পরিচয় দিয়ে আসছেন। শুধু তাই নয়, একদা শিক্ষকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে দরিদ্র পরিবারের ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করেছিলেন। অনেক ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষকদের আর্থিক সহায়তা ও একান্ত প্রচেষ্টায় লেখাপড়া শিখে কর্মজীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বক্তারা বলেন, হঠাৎ করে মানববন্ধনের নামে এলাকার কিছু দুস্কৃতিকারী মাদ্রাসার সভাপতির বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রদানসহ এলাকায় যথেষ্ট বিশৃংখলা সৃষ্টি করে। পশ্চিম গাটিয়া ডেংগা ভূয়া ফেসবুক আইডিতে সুপার, সহকারী শিক্ষক ও মাদরাসার সভাপতির বিরুদ্ধে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও বিভিন্ন ধরনের কুরুচিপূর্ণ ছবি বিভিন্নভাবে হয়রাণী ও মান সম্মান নষ্ট করে আসছে। আবার গত ২৩ ফেব্রæয়ারী মাদরাসার সুপারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে মাদরাসার সুনাম ক্ষুন্ন করেছে। তারা এভাবে মাদরাসার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে মাদরাসা নয় এলাকার সুনামও ক্ষুন্ন করেছে।