নিজস্ব প্রতিবেদক : আগামী বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের নির্বাচনী বা টেস্ট পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২৮ অক্টোবর। পরীক্ষা শেষ করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত। এরপর ১৫ নভেম্বরের মধ্যে নির্বাচনী পরীক্ষার ফল প্রকাশ করতে হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে ইচ্ছুক নিয়মিত শিক্ষার্থীদের নির্বাচনী পরীক্ষায় নির্ধারিত বছরের সিলেবাস অনুসারে তৈরি প্রশ্নপত্রে অংশ নিতে হবে। অর্থাৎ, আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত পাঠ্যসূচির ভিত্তিতেই শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি ও যোগ্যতা যাচাই করা হবে।
এদিকে শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার এডুকেশন বিষয়ে সব শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের নম্বর ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
নম্বর পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পর্কেও নির্দেশনা দিয়েছে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। এতে বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ধারাবাহিক মূল্যায়নে শিক্ষার্থীদের অর্জিত নম্বর সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা কেন্দ্রে সরবরাহ করবে। পরে কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর যুক্ত করে বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে পাঠাবে।
একই সঙ্গে ব্যবহারিক পরীক্ষা ও ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বরের মূল হাতে লেখা নম্বরপত্র মাধ্যমিক পরীক্ষা শাখায় সরাসরি জমা দিতে হবে।
এর আগে গত ২৪ আগস্ট ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামী বছরের ১৪ মার্চ শুরু হবে এসএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা। পরীক্ষা শেষ হবে ১৫ এপ্রিল। এরপর ২২ এপ্রিলের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচনী পরীক্ষা গ্রহণ ও ফল প্রকাশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল পরীক্ষার প্রস্তুতি যাচাইয়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে।

