ফুটবল ক্যারিয়ারে অসাধারণ সাফল্য এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের প্রিন্সেস আস্তুরিয়াস অ্যাওয়ার্ড ফর স্পোর্টস পেয়েছেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার লিওনেল মেসি। নিজের দাতব্য ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে শিশুদের কল্যাণে কাজ করার পাশাপাশি ক্রীড়াক্ষেত্রে অনন্য অর্জনের জন্য তাঁকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) স্পেনের উত্তরাঞ্চলীয় আস্তুরিয়াস অঞ্চলের রাজধানী ওভিয়েদোতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মেসির হাতে পুরস্কার তুলে দেন স্পেনের সিংহাসনের উত্তরাধিকারী রাজকন্যা লিওনর। তাঁর নাম অনুসারেই পুরস্কারটির নামকরণ করা হয়েছে। এ সময় মেসিকে একটি পার্চমেন্ট স্ক্রল দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানস্থলে মেসির আগমন ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়। ব্যাগপাইপ ও ঢোলের বাদ্য বাজিয়ে তাঁকে স্বাগত জানানো হয়। আর্জেন্টিনার জার্সি পরা কয়েক ডজন সমর্থক তাঁর নাম ধরে স্লোগান দেন।
মেসির ফুটবলজীবনের প্রশংসা করে রাজকন্যা লিওনর বলেন, অসাধারণ অর্জনকে প্রতিদিনের ঘটনায় পরিণত করেছেন এই তারকা। খেলার পরিস্থিতি বুঝে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং সব সময় ব্যক্তিগত অহংকারের চেয়ে দলীয় চেতনাকে প্রাধান্য দেওয়ার জন্যও তিনি মেসির প্রশংসা করেন।
এবারের অনুষ্ঠানে মেসি ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য আরও কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ব্রিটিশ লেখক জুলিয়ান বার্নস, যুক্তরাষ্ট্রের নভোচারী ক্রিস্টিনা কোচ এবং পাঙ্ক সংগীতের পরিচিত মুখ প্যাটি স্মিথ।
এর আগে ক্রীড়া বিভাগে এই সম্মাননা পেয়েছেন বিশ্বের খ্যাতিমান অনেক ক্রীড়াবিদ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন টেনিস তারকা সেরেনা উইলিয়ামস ও রাফায়েল নাদাল, ম্যারাথন দৌড়ের কিংবদন্তি এলিউদ কিপচোগে এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্কিয়ার লিন্ডসে ভন।
প্রিন্সেস আস্তুরিয়াস পুরস্কারের পরিচিতি
১৯৮১ সালে প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস পুরস্কারের যাত্রা শুরু হয়। আন্তর্জাতিক পরিসরে এর মর্যাদার কারণে অনেক সময় একে ‘স্প্যানিশ নোবেল পুরস্কার’ বলেও অভিহিত করা হয়। শিল্প, বিজ্ঞান, ক্রীড়াসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা ব্যক্তিদের প্রতিবছর এ পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়।
পুরস্কারটির সঙ্গে রয়েছে ৫০ হাজার ইউরো অর্থমূল্য, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭০ লাখ টাকা। মানুষের মধ্যে সহাবস্থান, সংহতি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে অবদান রাখা ব্যক্তিদের স্বীকৃতি দেওয়াই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।
প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস ফাউন্ডেশন এ পুরস্কার আয়োজন করে। স্পেনের রাজা ও রানি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। ওভিয়েদোর তেত্রো কাম্পামোয়র থিয়েটারে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে অর্থমূল্যের পাশাপাশি বিজয়ীদের দেওয়া হয় জোয়ান মিরোর নকশা করা ভাস্কর্য, একটি সনদ ও প্রতীকী পদক।
মেসির এই অর্জন তাঁর দীর্ঘ ফুটবল ক্যারিয়ারের সাফল্যের পাশাপাশি সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
ফুটবল ক্যারিয়ারে অসাধারণ সাফল্য এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের প্রিন্সেস আস্তুরিয়াস অ্যাওয়ার্ড ফর স্পোর্টস পেয়েছেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার লিওনেল মেসি। নিজের দাতব্য ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে শিশুদের কল্যাণে কাজ করার পাশাপাশি ক্রীড়াক্ষেত্রে অনন্য অর্জনের জন্য তাঁকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) স্পেনের উত্তরাঞ্চলীয় আস্তুরিয়াস অঞ্চলের রাজধানী ওভিয়েদোতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মেসির হাতে পুরস্কার তুলে দেন স্পেনের সিংহাসনের উত্তরাধিকারী রাজকন্যা লিওনর। তাঁর নাম অনুসারেই পুরস্কারটির নামকরণ করা হয়েছে। এ সময় মেসিকে একটি পার্চমেন্ট স্ক্রল দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানস্থলে মেসির আগমন ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়। ব্যাগপাইপ ও ঢোলের বাদ্য বাজিয়ে তাঁকে স্বাগত জানানো হয়। আর্জেন্টিনার জার্সি পরা কয়েক ডজন সমর্থক তাঁর নাম ধরে স্লোগান দেন।
মেসির ফুটবলজীবনের প্রশংসা করে রাজকন্যা লিওনর বলেন, অসাধারণ অর্জনকে প্রতিদিনের ঘটনায় পরিণত করেছেন এই তারকা। খেলার পরিস্থিতি বুঝে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং সব সময় ব্যক্তিগত অহংকারের চেয়ে দলীয় চেতনাকে প্রাধান্য দেওয়ার জন্যও তিনি মেসির প্রশংসা করেন।
এবারের অনুষ্ঠানে মেসি ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য আরও কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ব্রিটিশ লেখক জুলিয়ান বার্নস, যুক্তরাষ্ট্রের নভোচারী ক্রিস্টিনা কোচ এবং পাঙ্ক সংগীতের পরিচিত মুখ প্যাটি স্মিথ।
এর আগে ক্রীড়া বিভাগে এই সম্মাননা পেয়েছেন বিশ্বের খ্যাতিমান অনেক ক্রীড়াবিদ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন টেনিস তারকা সেরেনা উইলিয়ামস ও রাফায়েল নাদাল, ম্যারাথন দৌড়ের কিংবদন্তি এলিউদ কিপচোগে এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্কিয়ার লিন্ডসে ভন।
প্রিন্সেস আস্তুরিয়াস পুরস্কারের পরিচিতি
১৯৮১ সালে প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস পুরস্কারের যাত্রা শুরু হয়। আন্তর্জাতিক পরিসরে এর মর্যাদার কারণে অনেক সময় একে ‘স্প্যানিশ নোবেল পুরস্কার’ বলেও অভিহিত করা হয়। শিল্প, বিজ্ঞান, ক্রীড়াসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা ব্যক্তিদের প্রতিবছর এ পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়।
পুরস্কারটির সঙ্গে রয়েছে ৫০ হাজার ইউরো অর্থমূল্য, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭০ লাখ টাকা। মানুষের মধ্যে সহাবস্থান, সংহতি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে অবদান রাখা ব্যক্তিদের স্বীকৃতি দেওয়াই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।
প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস ফাউন্ডেশন এ পুরস্কার আয়োজন করে। স্পেনের রাজা ও রানি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। ওভিয়েদোর তেত্রো কাম্পামোয়র থিয়েটারে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে অর্থমূল্যের পাশাপাশি বিজয়ীদের দেওয়া হয় জোয়ান মিরোর নকশা করা ভাস্কর্য, একটি সনদ ও প্রতীকী পদক।
মেসির এই অর্জন তাঁর দীর্ঘ ফুটবল ক্যারিয়ারের সাফল্যের পাশাপাশি সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

