মক্কা-জেদ্দায় সতর্কতা জারির পর হুতিদের দুই ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের দাবি সৌদির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
spot_img

সৌদি আরবের মক্কা, জেদ্দাসহ পশ্চিমাঞ্চলের চারটি প্রদেশে সম্ভাব্য বিপদের সতর্কতা জারির কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা প্রত্যাহার করেছে দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা। এর পরপরই ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠীর ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। ক্ষেপণাস্ত্র দুটি সৌদি আরবের তায়েফ ও ইয়ানবু শহরকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে জোটটি।

- Advertisement -

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মক্কা ও জেদ্দার পাশাপাশি তায়েফ এবং উপকূলীয় তেলকেন্দ্র ইয়ানবুতেও সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। তবে ঠিক কী কারণে এই সতর্কতা জারি করা হয়, সে বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত কোনো তথ্য দেয়নি।

সতর্কতা জারির সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের নিকটবর্তী নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার কার্যক্রমের ছবি কিংবা সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ না করার বিষয়ে আইনি সতর্কবার্তাও পুনর্ব্যক্ত করে বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, সতর্কতা জারির পর সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট হুতিদের ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার দাবি জানায়। তবে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

এদিকে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে হুতি গোষ্ঠীর হামলার ঘটনা সামনে এসেছে। ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধের উত্তেজনা নতুন করে বাড়ার প্রেক্ষাপটে এসব হামলা চালানো হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইয়েমেনের দীর্ঘদিনের সংঘাত আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশেষ করে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ নগরী ও জ্বালানি অবকাঠামোকে ঘিরে নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ছে। তবে সর্বশেষ সতর্কতা জারির প্রকৃত কারণ এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সূত্র : টাইমস অব ইসরায়েল

সর্বশেষ