নিজস্ব প্রতিবেদক, পাবনা :
পাবনা সদর উপজেলার একটি মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক আবু ইউসুফের (৪৫) বিরুদ্ধে ১৭ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সকালে মাদ্রাসাটিতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন বিক্ষুব্ধ স্থানীয় লোকজন। এর আগে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে মাদ্রাসাটিতে ওই ছাত্রীর সঙ্গে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ ওঠে। এ সময় নিজেকে রক্ষায় গভীর রাতে মাদ্রাসা থেকে বেরিয়ে পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেয় মেয়েটি। পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় লোকজন রাতেই অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। তবে শুক্রবার সকালে পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ লোকজন মাদ্রাসাটিতে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষক ও ভুক্তভোগী ছাত্রী বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার বিষয়টিও পুলিশের তদন্তের আওতায় রয়েছে।

