spot_imgspot_img

তারেক রহমানের সঙ্গে এরদোয়ানের বৈঠক তুরস্ক-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
spot_img

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও বিস্তৃত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

- Advertisement -

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ প্লাজায় অবস্থিত তুর্কি হাউসে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেন দুই নেতা। এ সময় পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময়ের পাশাপাশি অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে বিদ্যমান সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।

এ ছাড়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা ও সমন্বয় অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

পারস্পরিক স্বার্থ ও অভিন্ন অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করার বিষয়ে একমত হন দুই নেতা।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কের উদ্বোধনী অধিবেশনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠক করেন তিনি।

এদিন তারেক রহমানের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে এবং মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট উজ. হুসেইন মোহামেদ লতিফ। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এসব বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশ-ভুটান এবং বাংলাদেশ-মালদ্বীপের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নানা দিক উঠে আসে আলোচনায়।

এ সময় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতার বিদ্যমান ক্ষেত্রগুলো আরও সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণে নতুন সম্ভাবনা কাজে লাগানোর বিষয়ে মতবিনিময় করেন তারা।

পরে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গার সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার, অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা আরও জোরদার করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে পারস্পরিক অংশীদারত্বের ক্ষেত্র সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করেন তারা।

এরপর জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান এবং এ সমস্যা নিরসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়।

রোহিঙ্গাদের সম্মানজনক প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এ ছাড়া হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ে ফিস-আইমের সঙ্গেও বৈঠক করেন তারেক রহমান। এতে বাংলাদেশ ও হাইতির দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে দুই দেশের জনগণের কল্যাণে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও জোরদার করা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করেন দুই প্রধানমন্ত্রী।

spot_imgspot_img
spot_imgspot_img

সর্বশেষ