spot_imgspot_img

এনএসআই’র নজরদারিতে ৫ কোম্পানি, এলপিজি মজুত করে সংকট তৈরির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
spot_img

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে এলপিজির পর্যাপ্ত মজুত ও আমদানি থাকলেও বাজারে সংকট কাটছে না। নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কয়েকশ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার। এমন পরিস্থিতিতে আমদানিকৃত এলপিজি সরবরাহে গড়িমসি করে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ উঠেছে শীর্ষস্থানীয় পাঁচ কোম্পানির বিরুদ্ধে।

- Advertisement -

বিষয়টি নিয়ে সরকারকে সতর্ক করেছে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)। বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে দেওয়া সংস্থাটির একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনে এলপিজি মজুতের অভিযোগে পাঁচ প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—আইগ্যাস, ওমেরা, পেট্রোম্যাক্স, বিএম এনার্জি ও যমুনা।

এনএসআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২২ সেপ্টেম্বর বা এর আশপাশের সময় থেকে এসব প্রতিষ্ঠান আমদানি করা এলপিজির সরবরাহ আটকে রেখেছিল বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এর ফলে বাজারে সরবরাহ কমে গিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

এদিকে এলপিজির দাম নিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভোক্তাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করলেও কোথাও কোথাও একই সিলিন্ডার ২ হাজার টাকার বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

তবে সংশ্লিষ্টদের আমদানি ও সরবরাহের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেশে এলপিজির বড় ধরনের ঘাটতি থাকার কথা নয়। পর্যাপ্ত পরিমাণ এলপিজি আমদানি হওয়ার পরও বাজারে সরবরাহ সংকট কেন তৈরি হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এনএসআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমদানি করা এলপিজি বাজারে সরবরাহ না করে মজুত রাখার কারণে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে কৃত্রিম ভারসাম্যহীনতা তৈরি হতে পারে। এতে বাজারে দাম বাড়ার সুযোগ তৈরি হয় এবং শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হয় ভোক্তাদের।

জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এনএসআইয়ের গোয়েন্দা প্রতিবেদন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিবেদনটির ভিত্তিতে এলপিজির আমদানি, মজুত ও বাজারে সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর মজুত ও সরবরাহের তথ্য যাচাইয়ের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।

spot_imgspot_img
spot_imgspot_img

সর্বশেষ