spot_imgspot_img

‘খুব শিগগিরই ইরান যুদ্ধে জয়ী হবে যুক্তরাষ্ট্র’: ট্রাম্প

নিজস্ব প্রতিবেদক
spot_img

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ‘খুব শিগগিরই’ জয়ী হবে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যোগাযোগ চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

- Advertisement -

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। তাঁর ভাষ্য, যুদ্ধের পরিণতি যেভাবেই হোক যুক্তরাষ্ট্রের জয় হবে এবং তা দ্রুতই ঘটবে। যুদ্ধ শেষ হলে জ্বালানির দামও কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তবে ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের মধ্যেই যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে কূটনৈতিক তৎপরতাও চলছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাত মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসানে সোমবার মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তারা মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে পৃথকভাবে আলোচনা করেছেন। আলোচনায় গত সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ইরানের দেওয়া সাত দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের সংশোধিত সংস্করণ গুরুত্ব পাচ্ছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি এখনো নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন। তিনি মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনায় ইরানের প্রস্তাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জবাব পাওয়ার প্রত্যাশা জানিয়েছেন। ইরানের প্রস্তাবে যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি তেল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দ করা সম্পদ ছাড় এবং গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয় রয়েছে। এর বিনিময়ে ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় ফেরার কথা জানিয়েছে।

এর আগে ট্রাম্প ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের কথা জানিয়েছিলেন। তবে একই সময়ে তিনি চলতি সপ্তাহে ইরানের সঙ্গে আরও আলোচনার সম্ভাবনার কথাও বলেছেন। ফলে একদিকে সামরিক সংঘাত অব্যাহত থাকলেও অন্যদিকে পরোক্ষ কূটনৈতিক যোগাযোগের পথ খোলা রয়েছে।

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মধ্য দিয়ে এই সংঘাত শুরু হয়। দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে হাজারো মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ ও তেলের বাজারেও বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। রয়টার্সের হিসাবে, ২৯ সেপ্টেম্বর ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৬.৯৯ ডলারে ওঠে।

এর আগে এপ্রিল ও জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুটি যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ নেওয়া হলেও সেগুলো দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। এখন নতুন করে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আলোচনা শুরু হওয়ায় যুদ্ধের অবসানে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে দুই দেশের অবস্থানের ব্যবধান এখনো স্পষ্ট রয়েছে।

spot_imgspot_img
spot_imgspot_img

সর্বশেষ